রাজশাহীসহ সারাদেশে,
সাংবাদিকতার বেহাল দশা, শিক্ষাগত যোগ্যতার পরিমাপক টাকা!
- আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

খন্দ, মো, আখতারুজ্জামান:
একটি রাষ্ট্রের যে কয়টি স্তম্ভ থাকে তারমধ্যে খুবই গুরুত্বপুর্ন স্তম্ভ সাংবাদিকতা। সেটা অনলাইন/প্রিন্ট/ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া যেটাই হোক না কেন শিক্ষাগত যোগ্যতা’র কোন বিকল্প কি আছে? পাঁচ বছর অধ্যয়ন করে একটি সার্টিফিকেট পায় পঞ্চম শ্রেণির । এভাবে দেখা যাচ্ছে কৈশোর, তারুণ্যের,যৌবনের ১৪-১৬ বছর কত ত্যাগ তিতিক্ষার পর একজন ছাত্র -ছাত্রী ডিগ্রি (পাশ;)/অনার্স/ মাস্টার্সের সার্টিফিকেট পায়।
এইসব শিক্ষার্থীদের ছেলেবেলায় ঘুড়ি উড়াতে বা বৃষ্টিতে ফুটবল খেলতে ইচ্ছা করত, যৌবনে হঠাৎ কোথায় হারিয়ে যেতে ইচ্ছা করত। ১৪ থেকে ১৬ বছর সমস্ত ত্যাগ তিতিক্ষা ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীগণ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে। এইভাবে তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটে।
অনুসন্ধানে দেখা যায় বিভিন্ন বেসরকারি সেক্টরে জ্বাল বা ভুয়া সার্টিফিকেটের ছড়াছড়ি। যার মধ্যে সাংবাদিকতা অন্যতম। একজন সাংবাদিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের অথবা জার্নালিজম থেকে স্নাতক পাশ হতে হবে ।রাজশাহীতে জীবনে কোন দিন স্কুল,কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়নি এইরূপ শত শত ব্যক্তিও টাকার বিনিময়ে সাংবাদিক এর কার্ড ব্যবহার করছে। অনেকে প্রেস ক্লাব খুলে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বনে যাচ্ছে। দেখার জন্য কোন সংস্থা নেই।
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক রাজশাহীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না হওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, সাংবাদিকতার নামে যা হচ্ছে তাতে আমাদের মত সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে। যা কোন ভাবেই কাম্য নহে । চা এর দোকানদার,সেলুনের কর্মচারী বা এসএসসি পাশ ছাড়ায় ভুরি ভুরি সাংবাদিক দেখতে পাচ্ছি। সবাই অনলাইন পোর্টালকে দায়ী করে পার পেয়ে যাচ্ছে অথচ ঢাকায় প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা হতে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়ায় কার্ড বিক্রি হচ্ছে টাকার বিনিময়ে।এটা আমাদের জন্য লজ্জার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
তিনি আরও বলেন, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী পারেন সাংবাদিকতার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে। তাদের উচিৎ সমস্ত সাংবাদিকদের সার্টিফিকেট যাচায় করা। কেননা অশিক্ষিত সাংবাদিকের সংখ্যা এতই বেশি যে কোন সাংবাদিক মুখ খুললে তাকে মব ভায়োলেন্সের সম্মুখীন হতে হবে। সংগত কারণে কেউ এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন না। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসক এর সহায়তায় সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। এরজন্য সরকারের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর এলিট ফোর্সদের দায়িত্ব দেয়া উচিৎ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
(চলবে….)
এই বিষয়ে বিস্তারিত আসছে……

















