ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেল,
তেহরান শুধু পরোক্ষ আলোচনায় রাজি, সরাসরি নয়।
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ট্রাম্প পাকিস্তানে ইরানের সাথে আলোচনার জন্য পাঠানো দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের সফর বাতিল করেছেন। কারণ হিসেবে বলেছেন: “১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট করে কিছু না হওয়া আলোচনায় যাওয়ার মানে নেই”।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান সফর শেষে ফিরে গেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান “চাপের মুখে আরোপিত আলোচনায়” বসবে না। তেহরান শুধু পরোক্ষ আলোচনায় রাজি, সরাসরি নয়।
যুদ্ধ ও যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইরানে বিমান হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ ৫২ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন।এরপর ইরান ইসরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা করে।এখন যুদ্ধবিরতি চলছে, তবে ট্রাম্প বলেছেন: “যুদ্ধবিরতি শেষ করার কথা এখনও ভাবিনি”।
হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা:
ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের ২০% তেল এখান দিয়ে যায়।যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ চালাচ্ছে এবং ইরানি বন্দরগুলো ব্লক করে রেখেছে।
ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন: হরমুজে মাইন বসানো ইরানি ছোট নৌকা দেখলেই “গুলি করে ডুবিয়ে দাও”। ইরান ৩টি জাহাজে হামলা করে ২টি জব্দ করেছে।
আলোচনার মূল বাধা: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ।ইরান বলছে: “শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির অধিকার” ছাড়বে না। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান ২০ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখুক।
ইরানের ভেতরে বিভক্তি: IRGC কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি “আপসহীন অবস্থান” নিয়েছেন, আর পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ নমনীয় হতে চেয়েছিলেন কিন্তু ক্ষমতার লড়াইয়ে হেরে গেছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্য:
“আমাদের হাতে সব তাস, ওদের হাতে কিছু নেই। কথা বলতে চাইলে ফোন করুক”।প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানকে “সমুদ্রের জলদস্যু” ও “সন্ত্রাসী” বলেছেন।
আলোচনা স্থগিত, হরমুজ প্রণালীতে সামরিক উত্তেজনা চরমে, আর তেলের দাম বাড়ছে। দুপক্ষই এখন “কার্ড” দেখানোর অপেক্ষায়।



















